রাজশাহীতে একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মো. মাসুম সরকার। তিনি দাবি করেন, আব্দুল মাজেদ নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন এবং সম্প্রতি একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করেছেন।
বুধবার (৭ মে) নগরীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রাঙাপরি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির চেয়ারম্যান মো. মাসুম সরকার বলেন, গত ৬ মে আব্দুল মাজেদ তার পৈতৃক সম্পত্তি ও মার্কেট ভাঙচুর এবং মালামাল লুটপাটের অভিযোগ এনে যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, এসব বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে প্রচারিত হওয়ায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে মাসুম সরকার জানান, নগরীর সুলতানাবাদ এলাকায় অবস্থিত আরএস ৪৫৩৭ নম্বর দাগের ৯ কাঠা জমি তিনি ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড রাজশাহী শাখা থেকে প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে ক্রয় করেন। পরে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে ব্যাংক তার নামে দলিল রেজিস্ট্রি করে সম্পত্তির দখল বুঝিয়ে দেয়। এরপর তিনি নামজারি সম্পন্ন করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে আসছেন বলেও দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, আব্দুল মাজেদ ১৯৭৫ সালে সম্পত্তিটি ক্রয় করার পর ১৯৮৪ সালে ন্যাশনাল ব্যাংকের কাছে বন্ধক রেখে ঋণ গ্রহণ করেন। ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় ব্যাংক অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়ের করে এবং ১৯৯৪ সালে ব্যাংকের পক্ষে ডিক্রি হয়। পরবর্তীতে জারি মামলার মাধ্যমে আদালত ২০০৭ সালে অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ৩৩(৭) ধারায় সম্পত্তির মালিকানা ব্যাংকের অনুকূলে প্রদান করেন।
মাসুম সরকারের দাবি, পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে ১২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে এডভোকেট কমিশনার, নায়েব-নাজির ও পুলিশ স্কটের উপস্থিতিতে সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণ ও দখল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। সেখানে থাকা দোকানদাররা আদালতের নির্দেশ পেয়ে মালামাল সরিয়ে নেন এবং আদালতের কর্মকর্তারা ভবনে থাকা পরিত্যক্ত মালামাল অপসারণ করে ব্যাংকের কাছে দখল বুঝিয়ে দেন। পরে ব্যাংক তার কাছে সম্পত্তি হস্তান্তর করে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, আব্দুল মাজেদ বিভিন্ন আদালতে মামলা করেও পরাজিত হওয়ার পর এখন সামাজিকভাবে তাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে মিথ্যাচার করছেন। তিনি বলেন, “মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা রিট মামলা খারিজ হওয়ার পাশাপাশি আব্দুল মাজেদকে দুই লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়। পরে আপিল বিভাগেও তার আবেদন খারিজ হয়।”
মাসুম সরকার আরও দাবি করেন, আব্দুল মাজেদের সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা কয়েকটি মামলার নম্বরের কোনো অস্তিত্ব নেই এবং কিছু মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির কোনো সম্পর্কও নেই। এছাড়া ৯৩/২২ নম্বর মামলায় কার্যক্রম স্থগিত থাকার যে দাবি করা হয়েছে, সেটিও অসত্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নেতা ও ষষ্ঠিতলার সিনিয়র ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত হারু ভাই-এর নাম জড়ানো প্রসঙ্গে মাসুম সরকার বলেন, উক্ত সম্পত্তির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এছাড়া অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান সোয়েল কেবল ন্যাশনাল ব্যাংকের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেছেন বলেও তিনি জানান।
আব্দুল মাজেদকে প্রতারক ও মামলাবাজ আখ্যা দিয়ে মাসুম সরকার বলেন, তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ চলছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে আব্দুল মাজেদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
বুধবার (৭ মে) নগরীতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রাঙাপরি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির চেয়ারম্যান মো. মাসুম সরকার বলেন, গত ৬ মে আব্দুল মাজেদ তার পৈতৃক সম্পত্তি ও মার্কেট ভাঙচুর এবং মালামাল লুটপাটের অভিযোগ এনে যে সংবাদ সম্মেলন করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, এসব বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে প্রচারিত হওয়ায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে মাসুম সরকার জানান, নগরীর সুলতানাবাদ এলাকায় অবস্থিত আরএস ৪৫৩৭ নম্বর দাগের ৯ কাঠা জমি তিনি ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড রাজশাহী শাখা থেকে প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে ক্রয় করেন। পরে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে ব্যাংক তার নামে দলিল রেজিস্ট্রি করে সম্পত্তির দখল বুঝিয়ে দেয়। এরপর তিনি নামজারি সম্পন্ন করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধ করে আসছেন বলেও দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, আব্দুল মাজেদ ১৯৭৫ সালে সম্পত্তিটি ক্রয় করার পর ১৯৮৪ সালে ন্যাশনাল ব্যাংকের কাছে বন্ধক রেখে ঋণ গ্রহণ করেন। ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় ব্যাংক অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়ের করে এবং ১৯৯৪ সালে ব্যাংকের পক্ষে ডিক্রি হয়। পরবর্তীতে জারি মামলার মাধ্যমে আদালত ২০০৭ সালে অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ৩৩(৭) ধারায় সম্পত্তির মালিকানা ব্যাংকের অনুকূলে প্রদান করেন।
মাসুম সরকারের দাবি, পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে ১২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে এডভোকেট কমিশনার, নায়েব-নাজির ও পুলিশ স্কটের উপস্থিতিতে সম্পত্তির সীমানা নির্ধারণ ও দখল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। সেখানে থাকা দোকানদাররা আদালতের নির্দেশ পেয়ে মালামাল সরিয়ে নেন এবং আদালতের কর্মকর্তারা ভবনে থাকা পরিত্যক্ত মালামাল অপসারণ করে ব্যাংকের কাছে দখল বুঝিয়ে দেন। পরে ব্যাংক তার কাছে সম্পত্তি হস্তান্তর করে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, আব্দুল মাজেদ বিভিন্ন আদালতে মামলা করেও পরাজিত হওয়ার পর এখন সামাজিকভাবে তাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে মিথ্যাচার করছেন। তিনি বলেন, “মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে দায়ের করা রিট মামলা খারিজ হওয়ার পাশাপাশি আব্দুল মাজেদকে দুই লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়। পরে আপিল বিভাগেও তার আবেদন খারিজ হয়।”
মাসুম সরকার আরও দাবি করেন, আব্দুল মাজেদের সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা কয়েকটি মামলার নম্বরের কোনো অস্তিত্ব নেই এবং কিছু মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির কোনো সম্পর্কও নেই। এছাড়া ৯৩/২২ নম্বর মামলায় কার্যক্রম স্থগিত থাকার যে দাবি করা হয়েছে, সেটিও অসত্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নেতা ও ষষ্ঠিতলার সিনিয়র ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত হারু ভাই-এর নাম জড়ানো প্রসঙ্গে মাসুম সরকার বলেন, উক্ত সম্পত্তির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এছাড়া অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান সোয়েল কেবল ন্যাশনাল ব্যাংকের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেছেন বলেও তিনি জানান।
আব্দুল মাজেদকে প্রতারক ও মামলাবাজ আখ্যা দিয়ে মাসুম সরকার বলেন, তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং এ বিষয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ চলছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে আব্দুল মাজেদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
নিজস্ব প্রতিবেদক